বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
কালিয়াকৈরের মৌচাকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি, ও মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর গণ সমাবেশ। ‘ফেল করিয়ে দেওয়ার’ হুমকির পর অকৃতকার্য, উত্তরপত্র পাল্টানোর অভিযোগ ঘুমধুম সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, উপজেলা বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, রাজশাহীর রাজপাড়া থানা বিএনপির কার্যক্রম স্থগিত আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচনে যুবদল নেতৃবৃন্দের করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে নির্ধারিত দামেই কৃষকের হাতে মিলছে ইউরিয়া সার তেঁতুলিয়ায় করতোয়া নদীতে পাথর তুলতে গিয়ে বৃদ্ধ শ্রমিকের মৃত্যু জগদল বাজারে চিকিৎসক না হয়েও প্রেসক্রিপশন লেখার অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বার গর্ভের সন্তান মৃত্যুর দাবি গাজীপুরের কোনাবাড়ী ১২ ঝুটের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড।
লালমনিরহাটে মাদকের ‘রেড জোন’ খ্যাত গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

লালমনিরহাটে মাদকের ‘রেড জোন’ খ্যাত গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:: সীমান্তবর্তী জেল লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মাদকের ‘রেড জোন’ খ্যাত গোড়ল ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযানের মাঝে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মোস্তাকিম ইসলাম ও কনস্টেবল ফারুকের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, নির্যাতন ও জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

‎এঘটনায় ​স্থানীয় বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম ইনচার্জ মোস্তাকিম ও কনস্টেবল ফারুকের বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগে জানান, গত ৯ অক্টোবর রাতে বাড়ি ফেরার পথে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধরে মারধর করে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। সে টাকা দিতে অস্বীকার করলে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। ​স্থানীয় মুদি দোকান ব্যবসায়ী মহরম আলী ও রাইসমিল ব্যবসায়ী আব্দুল জলিলও সাইদুলকে পুলিশি মারধরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎​এছাড়াও স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করেন, ইনচার্জ মোস্তাকিম এক বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্বে থেকে মাদক কারবারিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন এবং তাদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। এমনকি মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা মানুষদেরও নতুন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, কিছু কুচক্রীর প্ররোচনায় নিরীহ মানুষকেও হয়রানি ও ঘরবাড়ি তল্লাশি করে পুলিশ।

‎​এসব অভিযোগের বিষয়ে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মোস্তাকিম ইসলাম সব অস্বীকার করে উল্টো মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) তরিকুল ইসলাম জানান, গোড়ল ইউনিয়নের মাদক পরিস্থিতি পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি ইনচার্জের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন এবং নিরীহ কাউকে হয়রানির সুযোগ নেই বলেও জানান। একই সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমও চলছে বলেও জানান তিনি। ​


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com